বেফাক সম্পর্কে যা বললেন আল্লামা মামুনুল হক/Islamer Alo 24



ফেইসবুক পেইজ থেকে কপিকৃতঃঃ-


ইটটি মারলে পাটকেলটি 
খাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হয় ! 

ক্রিয়ার প্রতিক্রিয়া একটি প্রাকৃতিক ও স্বাভাবিক বিষয় ৷ ভাবিয়া করিও কাজ, যেন করিয়া ভাবিতে না হয় ৷ 
১)
বেফাকের বিগত সেট-আপের পর ময়মনসিংহের একজন শীর্ষস্থানীয় আলেম আমার সামনে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছিলেন, নেতৃত্ব নির্বাচনে বিশেষ অঞ্চলকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে, ময়মনসিংহকে বঞ্চিত করা হয়েছে এবং শূরার মিটিংয়ের আগেই সব তারা ঠিক করে রেখেছিলেন ৷ আমি তখন সেই আলেমের হাত চেপে ধরে বলেছিলাম, এর জন্য আপনারাই দায়ী ৷ বললেন কিভাবে ? বললাম, আগের বার স্বাভাবিক উপায়ে যাকে দায়িত্ব দেয়ার কথা তাকে মাইনাস করে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে এনাকে দায়িত্বে বসানোর ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিেন আপনারাই ৷   আপনারা সেদিন অনিয়ম করে একজনকে বাদ দিয়ে অন্যজনকে  দায়িত্ব দিয়েছেন ৷ আজ আপনারাই সেই অনিয়মের শিকার হয়েছেন ৷ সুতরাং অন্য কাউকে মন্দ বলার আগে নিজেদের অতীতের ঘটনার জন্য আত্মসমালোচনা করুন ৷
২)
মহাসচিব নিজেদের পছন্দের মত হল ৷ খাস কমিটিটা ও নিজেদের ইচ্ছামাফিক হল ৷  সিনিয়র সহ-সভাপতি ইন্তেকালের পর সেটাও নিজেদের একান্ত ব্যক্তি ছাড়া অন্য কাউকে দিতে সম্মত হলেন না ৷ নিরঙ্কুষ নিয়ন্ত্রণেও তৃপ্তি হলো না, চাইলেন শতভাগ ৷ দৃষ্টিকটু হয়ে গেল না ব্যাপারটা?  প্রতিক্রিয়াটা কী হলো ? যারাই আপনাদের আস্থাভাজন, তাদের ব্যাপারেই ক্ষুব্ধ বর্তমান প্রজন্ম ৷ সেদিনের সেই ভুলের মাশুল এভাবেই দিতে হচ্ছে ৷
৩)
আজ যারা পরিস্থিতি অনুকূল পেয়ে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না ৷ সময় ও সুযোগ হাতে পেয়ে আঘাত করতে সীমা রক্ষা করছেন না, নিশ্চিত জেনে রাখুন পরিস্থিতি এটাই চূড়ান্ত নয় ৷ তখন আবার এই ক্রিয়ারও প্রতিক্রিয়া আসবে ৷ আজকের ক্রিয়া যদি অসুন্দর হয় আগামীকালের প্রতিক্রিয়া সুখকর হবার নয় ৷ সুতরাং শ্রদ্ধার পাত্রগুলো কিংবা সন্মানের যায়গাগুলোকে এতটা অসন্মান করবেন না যে, তার দিকে তাকিয়ে কথা বলতেই লজ্জা পাবেন ৷ আখেরে প্রয়োজনের সময় লজ্জিত হতে হবে আবার নিজেদেরকেই ৷   

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ