গত শুক্রবার (২৪ জুলাই) তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান যখন ঐতিহাসিক আয়াসোফিয়া মসজিদে জুম’আর নামাজে অংশগ্রহণ করেন, সেসময় গ্রীস জুড়ে খ্রিস্টানদের চার্চগুলোতে শোকের ঘন্টা বাজানো হয়েছে। আর এর একদিন পরেই রাগে-ক্ষোভে তুরস্কের সাথে বাদানুবাদে জড়াল গ্রীস। তবে তাদের বিরোধিতার কোনো পাত্তা না দিয়ে গ্রীসকে পাল্টা জবাব দেয় তুরস্কও।
শনিবার (২৫ জুলাই) তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হামি আকসোয় এক লিখিত বিবৃতিতে জানান, আয়াসোফিয়া নামাজের জন্য উন্মুক্ত হওয়ার প্রতিক্রিয়া দেখানোর অজুহাতে গ্রীস আবারো ইসলাম ও তুরস্কের প্রতি তার শত্রুতা প্রদর্শন করছে।
বিবৃতিতে তুর্কি পররাস্ট্র মন্ত্রণালয় গ্রীসের সরকার ও সংসদ সদস্যদের উস্কাকিমূলক বক্তব্য এবং গ্রীসের থেসালোনিকি শহরে তুরস্কের পতাকা পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, আয়াসোফিয়াকে তুর্কি জনগণের ইচ্ছায় মসজিদ হিসেবে নামাজের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে এবং তুরস্কের অন্যান্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মতো এটাও তাদের অন্তর্ভুক্ত।
গ্রীক পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে দাবি করে বলছে, একবিংশ শতাব্দীর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় আজকের তুরস্কের ধর্মীয় এবং জাতীয়তাবাদী কার্যক্রম দেখে হতবাক।

0 মন্তব্যসমূহ
A New Comment
Emoji